পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি, জনজীবন বিপর্যস্ত

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৩২ পিএম

পঞ্চগড়ে গত দুদিন ধরে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা নেমে এসেছে এক অঙ্কে। শনিবার সকাল নয়টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে যৌথভাবে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। শুক্রবার এখানে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

সকালে ঘনকুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় কনকনে শীতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

শীতবস্ত্র বা গরম কাপড়ের অভাবে প্রান্তিক এ জনপদের শীতার্ত মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

সকাল পর্যন্ত প্রকৃতি কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল। সকাল ১০টার পর আকাশে সূর্যর দেখা মিললেও তাতে উষ্ণতা ছিল না। রোদের তেজ না থাকায় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গিয়ে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।

রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে শীতে মানুষ জবুথবু হয়ে পড়েছে।

ডিসেম্বর-জানুয়ারি এই দুই মাসে ৪৫ দিনই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

এই শীতে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। আর বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষগুলো। ঠান্ডার কারণে কাজে যেতে পারছে না। যেন মাঘের শীতে কাবু হয়েছে পঞ্চগড়বাসী। তীব্র ঠান্ডায় দেখা দিচ্ছে শীতজনিত নানা রোগ। হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল শাহ জানিয়েছেন, আগামী ৩-৪ দিন এখানে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আজ পঞ্চগড়ে।

তাপমাত্রার পারদ কমছে। যা এ মৌসুমেরও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এমন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এখন চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সরকারি-বেসরকারি মিলে জেলায় ৪০ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শিগগিরই আরও শীতবস্ত্র বরাদ্দ পাওয়া যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত