গত ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ কার্যমেয়াদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হন ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খান। নির্বাচন শেষ হলেও নির্বাচন ঘিরে তৈরি হওয়া নানা বিতর্কের অবসান হয়নি এখনো।
নির্বাচনের দিন শিল্পী সমিতির ভোটার ও সাংবাদিক ছাড়া বাকি ১৭ সংগঠনের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এদিন প্রযোজক পরিচালকরা অনেক চেষ্টা করেও এফডিসিতে প্রবেশ করতে পারেনি। অভিযোগ উঠে জায়েদ খানের কারসাজিতেই এমন ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি জায়েদ খানকে সহায়তা করেছেন। এমনকি অন্য পরিচালকরা প্রবেশ করতে না পারলেও সোহান এদিন এফডিসিতে প্রবেশ করে জায়েদ খানের প্যানেলের পক্ষে কাজ করেছেন বলেও অনেকে অভিযোগ তুলেছেন। আর এ নিয়ে পরিচালক সমিতির অন্য সদস্যরা বেশ ক্ষুব্ধ। শুধু তাই নয়, সোহানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে।
ইতিমধ্যেই সোহানুর রহমান সোহানের পদত্যাগের দাবিতে পরিচালকদের স্বাক্ষর সংগ্রহও করা হচ্ছে। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত পরিচালক নাসির মিলন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সোহান ভাই পরিচালক সমিতির সভাপতি মানে অভিভাবক। কিন্তু সেদিন এফডিসিতে কেউ প্রবেশ করতে না পারলেও তিনি প্রবেশ করেছেন। এমনকি পরিচালকদের অবমাননা সত্ত্বেও তার কোনো ভ্রুক্ষেপ দেখিনি- এ জন্যই আমরা তার পদত্যাগের দাবি তুলেছি।’
সভাপতি পদে অনাস্থার জন্য ইতিমধ্যেই দেড় শতাধিক পরিচালক স্বাক্ষর করেছেন। জানা গেছে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই শ পরিচালক সম্মতি প্রকাশ করে স্বাক্ষর করলে ওই পদত্যাগের বিষয়টি কার্যকর হবে।
