বিগত তিন বছর ধরে ঢাকা ট্যাকসেস বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনে বারের ভোটারদের ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের নেতারা।
তারা বলেন, একটি চক্র তাদের নির্ধারিত প্রার্থী ব্যতীত অন্যদের ফরম কেনা ও জমা দিতে দিচ্ছে না।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের নেতারা এ অভিযোগ করেন।
তারা বলেন, ‘আমরা গত কয়েকদিন ধরে নমিনেশন ফরম সংগ্রহের প্রাণপণ চেষ্টা করেও সংগ্রহ করতে পারছি না। নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ রেখে হল রুমের বাইরে বহিরাগতদের সমাবেশ ঘটিয়ে প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে বের করে দেন। তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নমিনেশন ফরম দিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে-পরে ফরম জমা নিচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, অফিস চলাকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিবের রুম তালাবদ্ধ থাকে। মোবাইলে ফোন করলে হয় ধরে না নয়তো ফোন বন্ধ রাখেন। বারের দায়িত্বরত স্টাফদের কাছে কোনো নমিনেশন ফরম দেওয়া হয় না।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী প্যানেলের নেতারা বলেন, বাংলাদেশের সকল বারের নির্বাচন প্রতি বছর হলেও বিগত তিন বছর একই কায়দায় নির্বাচনবিহীন কমিটি ঘোষণা হচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা ভোট দানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী এএইচএম মাহবুবুস সালেকিন, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. আবু নাসের মজুমদার মেজবাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা ট্যাকসেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন, সাবেক আরেক সভাপতি রমিজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
