বায়ুদূষণ রোধে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে সবচেয়ে দূষিত এলাকা চিহ্নিত করে দূষণ কমাতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা প্রতিবেদন আকারে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বায়ুদূষণ রোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) পক্ষে করা এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এহসানুল বান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।
রুলে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিবাদীদের (রিট মামলার বিবাদী) ব্যর্থতা কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও জনস্বার্থ পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে আদালত। একই সঙ্গে একটি সময়পোযোগী কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বায়ুর মান উন্নয়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চেয়েছে আদালত।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ১৫ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
