নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জমি লিখে না দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্বামী আতাউর রহমানকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার সকালে ফতুল্লা থানার বিসিক শিল্পনগরীর শাসনগাঁওয়ের নিজ বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গৃহবধূর নাম মমতাজ বেগম (৫২); তিনি ফতুল্লা মডেল থানার শাসনগাঁওয়ের বশির উদ্দিনের মেয়ে।
প্রায় বিশ বছর আগে প্রথমে প্রেম পরে পারিবারিকভাবে মমতাজ বেগমের চাইতে বয়সে ছোট আতাউর রহমানের বিয়ে হয়। তার আগে তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে তার এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। তবে, মমতাজের কোনো সন্তান ছিল না।
নিহতের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, বিয়ের পর চার শতাংশ জমির ওপর বাড়ি করে দেন তার বাবা। সেই বাড়িতে বসবাস করতেন তারা। এ ছাড়া বোনের সুখের কথা চিন্তা করে প্রায় ২০ লাখ টাকা যৌতুক এবং তার বোনের নামে বিসিক ভাঙা ক্লাব সংলগ্ন দুটি জুতার দোকানও করে দেয় মমতাজের পরিবার।
তিনি আরো জানান, মমতাজের নামে থাকা চার শতাংশ জমির ওপর থাকা বাড়িটি লিখে দেওয়ার জন্য প্রায় সময় তাকে মারধর করতেন আতাউর। ধারাবাহিকতায় সোমবার ভোর রাতে তাদের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে আতাউর তার বোনকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করেন। পরে লাশ গুম করতে বাড়ির পাশের ম্যানহোলে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাড়াটিয়া তা দেখে ফেলেন।
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক রাশেদুল ইসলাম জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯- এ কল পেয়ে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের স্বামী আতাউর রহমানকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
