ডাকাতির গরুতে খামার ৪১টি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

আপডেট : ০২ মার্চ ২০২২, ০৪:৩৯ এএম

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতি করা গরুর দিয়ে খামার গড়ে তুলেছিলেন আশুলিয়া এলাকার মরণ দাস ওরফে সুমন ওরফে তাপস (৩৫)। ডাকাতি করা গরু প্রথমে ওই খামারে তোলা হতো। পরে সেগুলো বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করা হতো। গত সোমবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার ও ডাকাতি করা ৪১টি গরু উদ্ধার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো মরণ দাস ওরফে সুমন ওরফে তাপস (৩৫), আসাদুজ্জামান বাবু (৩০), শহিদুল ইসলাম (৪০), আবদুল মালেক (৪০), দুর্জয় রাজবংশী (২৮) ও আল-আমীন (২৯)।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, একটি ডাকাতির ঘটনায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর থানায় মামলা হলে পুলিশ গত সোমবার অভিযান চালিয়ে জিরানীবাজার হতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করে। এ সময় সুমন নামে একজনকে পুলিশ ধরে ফেলে। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানায়, আশুলিয়ার দক্ষিণ নাল্লাপোল্লা গ্রামে তার একটি গরুর খামার আছে। পুলিশ ওই খামারে গিয়ে ৪১টি গরু পায়। পুলিশের সন্দেহ হলে মামলার বাদীকে জানানো হয় এবং বাদী খামারে গিয়ে তার ডাকাতি হওয়া গরুগুলোর মধ্যে ১১টি শনাক্ত করে। পরে আশুলিয়া থানার জিরানীবাজার এলাকায় সুমনের ভাড়া বাসায় তল্লাশি করে গরু বিক্রির ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৫০ টাকা জব্দ করা হয়। পুলিশ ডাকাতির হোতা সুমনের দেওয়া তথ্য অনুসারে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছয় ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত