নেতিবাচক অভিভাবকত্ব

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২২, ১০:৩৩ এএম

অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করা খুবই চ্যালেঞ্জিং। বাবা-মা ও ছেলেমেয়ের মধ্যে সম্পর্কটা যেমন খুবই সুন্দর, তেমন অনেক সময় দ্বান্দ্বিক ও জটিলও হয়। শিশুদের সুস্থভাবে গড়ে তোলার জন্য বাবা-মায়ের অসীম ধৈর্যের প্রয়োজন।

কোনো বাবা-মাই সন্তানের ক্ষতি চান না। কিন্তু অভিভাবকত্ব ফলাতে গিয়ে অনেক এমন কিছু কাজ করেন যা সন্তানের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ বিষয়ে বাবা-মাকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

নিচে কিছু নেতিবাচক অভিভাবকত্বের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হল-

শাস্তি দেওয়া: অনেক বাবা-মা নিয়মানুবর্তিতা ও শাস্তির পার্থক্য করতে ব্যর্থ হন। এই দুটি একই বিষয় নয়। শাস্তির মাধ্যমে শিশুকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

প্রকাশ্যে তাচ্ছিল্য করা: জনসম্মুখে সন্তানকে কখনো অসম্মানিত করা যাবে না। এতে তারা লজ্জিতবোধ করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

সবকিছুতেই সমালোচনা: শিশুদের দিকনির্দেশনা ও সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু তাদের ভুলের জন্য যদি সমালোচনা করা অব্যাহত রাখেন তবে তারা আরও বেশি ভুল করবে।

সহানুভূতি প্রকাশ না করা: যেসকল বাবা-মা সন্তানের প্রতি তাদের ভালোবাসা ও স্নেহ প্রকাশ করে না তারা সন্তানের সকল কাঙ্ক্ষিত সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত করে।

অন্য শিশুদের সঙ্গে তুলনা: সবচেয়ে বাজে অভিভাবকত্ব হচ্ছে ভাইবোন, বন্ধু বা অন্য শিশুদের সঙ্গে তুলনা করা। এটা কেবল শিশুদের্ ঈর্ষাপরায়ণই করে না; তাদের আত্মসম্মানে আঘাত লাগে।

খারাপ দৃষ্টান্ত উপস্থাপন: বাবা-মার কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা খোঁজে। আপনি যদি নির্দয়, রুক্ষ মেজাজি, জটিল এবং অসম্মানজনক হয়ে থাকেন; তবে সন্তানও আপনার কাছ থেকে এগুলোই শিখবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত