ফেনীতে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে চা, রুটি আর পরোটার দাম। সঙ্গে সিঙ্গারা, সমুচা, মোগলাইসহ ১০ প্রকারের খাবারের দামও বাড়ানো হয়েছে।
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি ফেনী জেলা শাখার সিদ্ধান্তক্রমে প্রতিটি হোটেল-রেস্টুরেন্টে একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
নোটিশ অনুযায়ী ১০ প্রকারের নাস্তার দাম বাড়ানো হয়। এর মধ্যে চা, রুটি ও পরোটার দাম বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়, যা আগে ছিল ১০/১২ টাকা। সিঙ্গারা ও সমুচার দাম নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা। মোগলাই ৪০, ডিম ২৫, ডাল-ভাজি ২৫, গরু সিঙ্গেল ১২০ ও চিকেন বিরিয়ানী ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
ওই নোটিশে খাদ্যপণ্যের মান অনুযায়ী দাম বাড়ানো যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়। নোটিশটি গত সোমবার থেকে কার্যকর করা হয়।
ফেনী জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার কবির শাহজাদা জানান, তেল, আটা, চিনি, ডিমসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। এ কারণে বৈঠকে খাবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
তিনি আরো জানান, ফেনীতে ৬০টি হোটেলের মধ্যে প্রায় ২ হাজার শ্রমিক চাকরি করছেন। হোটেল বন্ধ হলে শুধু মালিকপক্ষের ক্ষতি হবে না বরং ২ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। হোটেলে চাকরিই তাদের পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। হোটেল বন্ধ হওয়া মানে শত শত পরিবারের জীবন-জীবিকায় ভাটা পড়বে।
তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে পদে পদে ভ্যাট বৃদ্ধি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিল ইউনিট আগে ছিল ৪ টাকা এখন বৃদ্ধি হয়ে ১২ টাকা হয়েছে। একইভাবে গ্যাস প্রতি ইউনিটের মূল্য ছিল ৭ টাকা তা এখন বৃদ্ধি হয়ে ৩৩টাকা হয়েছে। ৮০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার এখন ১৪০০ টাকা হয়েছে। কিন্তু ভাত প্রতি প্লেট আগেও ১০ টাকা ছিল এখনও তা আছে।
