রাতে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন, সকালে স্ত্রী নিয়ে আসেন লাশ!

আপডেট : ২০ মার্চ ২০২২, ০৬:৩৯ পিএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক পোশাককর্মীর বিরুদ্ধে স্বামীকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। মরদেহ নিহতের বাড়িতে নেয়ার সময় বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও নিহতের স্ত্রীসহ ৬ জনকে আটক করে স্থানীয়রা।

পরে পুলিশ আটকদের থানা হেফাজতে নিয়েছে।

রবিবার ১০টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ স্বামীর বাড়িতে পৌঁছালে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

নিহতের নাম দেলোয়ার হোসেন (২২); তিনি উপজেলা রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া গ্রামের মহিশাল বাড়ির মৃত মজিবুর রহমানের পুত্র।

অভিযুক্ত নিহতের স্ত্রীর নাম হাজেরা বেগম; তিনি একই এলাকার গাঘড়া গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।

তারা উভয়েই গাজীপুরের কোনাবাড়ী কলেজ রোড ময়লা পুকুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। অভিযুক্ত হাজেরা বেগম একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন ও নিহত দেলোয়ার একই এলাকায় ভাংগারী ব্যবসা করতেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে ভিডিও কলে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন দেলোয়ার। ভোরে দেলোয়ারের মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরে রবিবার মরদেহ নিয়ে নিহতের স্ত্রী হাজেরা বেগম দেলোয়ারের বাড়িতে পৌঁছালে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আটকেরা হলেন- নিহতের স্ত্রী হাজেরা, নয়ন, হাসিম উদ্দিন, রমিজা, জাহানারা ও কাজল।

পুলিশের কাছে নিহতে স্ত্রী হাজেরা বেগম দাবি করেন, রাতে দেলোয়ার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য আত্মীয়দের সহায়তায় গাজীপুর তায়রুন্নেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রের্ফাড করেন। কিন্তু সেখানে নেয়ার আগেই দেলোয়ারের মৃত্যু হয়।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আটকদের থানা হাজতে নেয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত