চুয়াডাঙ্গায় টিসিবির খাদ্যপণ্য সংকট, বন্ধ বিক্রি

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২২, ০৬:০২ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রমে ভাটা পড়েছে চুয়াডাঙ্গায়। গেল তিন দিন নিয়মমাফিক খাদ্যপণ্য বিক্রি হলেও বুধবার পণ্য সংকটে ইউনিয়ন পর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায় টিসিবির কার্যক্রম।

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার পদ্মবিলা, তিতুহদ ও বেগমপুর ইউনিয়নে গুদামে পণ্য না থাকায় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।

বৃহস্পতিবারও পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে টিসিবির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার ৭৪ হাজার ৫৫৬ পরিবারকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) খাদ্যপণ্য দেওয়া শুরু হয় গত ২০ মার্চ থেকে। ওই দিন প্রথম দফায় জনপ্রতি ছয় কেজি ও দ্বিতীয় দফায় আট কেজি মিলিয়ে মোট ১৪ কেজি খাদ্যপণ্য দেওয়া হয়। এসব পণ্যের মধ্যে ছিল দুই কেজি সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও দুই কেজি চিনি। দ্বিতীয় দফায় দুই কেজি ছোলাও দেওয়া হয়। টিসিবির এ কার্যক্রমে তেল ১১০ টাকা, ডাল ৬৫ টাকা ও চিনি ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। ইতিমধ্যে টিসিবির পণ্য দেওয়ার জন্য অসচ্ছল পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ শেষে করে তিন দিনে তাদের মধ্যে অন্তত ১২ হাজার জনকে খাদ্যপণ্য দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, টিসিবি থেকে আসা খাদ্যপণ্য চুয়াডাঙ্গার খাদ্যগুদামে সংরক্ষণে রাখা হয়। সেখান থেকে ট্রাকযোগে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানো হয়। গুদামের ধারণক্ষমতা কম হওয়ায় তুলনামূলক কম পরিমাণে খাদ্যপণ্য নিয়ে আসা হয়। গত বুধবার থেকে ওই গুদামে খাদ্যপণ্য কম থাকায় হাতে গোনা কয়েকটি স্থান ছাড়া সব স্থানে খাদ্যপণ্য বিক্রয় বন্ধ রাখা হয়। তবে বন্ধ থাকা এসব স্থানে আবার কবে নাগাদ খাদ্যপণ্য বিক্রয় শুরু হবে তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেনি তিনি।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ভূইয়া জানান, খাদ্য সংকটের কারণে সাময়িকভাবে কয়েকটি ইউনিয়নে বন্ধ রাখা হয়েছে টিসিবির কার্যক্রম। বৃহস্পতিবারও ইউনিয়ন এবং পৌরসভা পর্যায়ে বন্ধ থাকবে এ কার্যক্রম। খাদ্যপণ্য হাতে পেলেই ওই সব স্থানে আবার বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত