কেরানীগঞ্জের সার্কেল এএসপি শাহাবুদ্দিন কবীর ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও জমি দখলে সন্ত্রাসীদের সহায়তার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোসা. শাহানাজ বেগম।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী ও তার ছেলে মো. মামুন হোসেন।
এ সময়ে তারা বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের সরবরাহ করেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোসা. শাহানাজ বেগম বলেন, কেরানীগঞ্জের আনোয়ার হোসেন মার্কেটের দুটি দোকান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী মানিক গংদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। আমার স্বামীর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া, সম্পত্তি জাল দলিল করে দখলের চেষ্টা করছে চক্রটি। এ নিয়ে তারা নানাভাবে আমি এবং আমার সন্তানকে হয়রানি করছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। কিন্তু গত ১০ মার্চ রাতে ওসি আবুল কালাম আজাদ ও এসআই হাসান মোবাইল ফোনে আমার ছেলে মামুনকে থানায় ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় থানায় এএসপি শাহাবুদ্দিন কবীর আমার ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দোকানের সামনে গেলে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন।
তিনি আরো বলেন, ওসি আবুল কালাম আজাদ আমার ছেলের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মোবাইলে থাকা পুলিশি তাণ্ডবের ভিডিওচিত্র ডিলিট করে দেন। এরপর আমার ছেলেকে থানায় আটকে রেখে শাহাবুদ্দিন কবীরের নির্দেশে আরো পুলিশের সহযোগিতায়, সন্ত্রাসী মানিক বাহিনীর ১০-১২ সদস্য দুই দোকানের সব তালা কেটে জিনিসপত্র লুটে নেয়। এরপর দুটি দোকানে এসআই হাছান নতুন তালা লাগিয়ে, চাবি মানিকের হাতে দিয়ে চলে যায়। পুলিশের সহায়তায় দোকান দখলের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি লিখিত আকারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়।
তার পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানানো হয়।
জানতে চাইলে সার্কেল এএসপি শাহাবুদ্দীন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ওনাদের জমি নিয়ে মামলা চলছে। তবে ক্রসফায়ারের হুমকি ও নির্যাতনের অভিযোগ সত্য নয়। কারণ পুলিশ এখন এসব কাজ করে না।
