নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। তবে সমাপ্তিটা সুখকর হয়নি টাইগ্রেসদের। বাংলাদেশের মেয়েদের ১০০ রানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে টাইগ্রেসরা আসর শেষ করল তালিকার সাতে থেকে। আসরে কেবল তাদের নিচে থাকা পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পেয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে শেষ ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে হতাশ করেছে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। টসে হেরে বোলিংয়ে শুরুটা দুর্দান্ত করলেও পরবর্তীতে সে ধার তেমন রাখতে পারেননি সালমা খাতুনরা। ব্যাটিংয়েও ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।
এই হারের পেছনে পার্টনারশিপ গড়তে না পারাকে দায়ী করলেন জ্যোতি। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ম্যাচ শেষে বলেন, ‘পার্টনারশিপ তৈরির অভাব ছিল, শুরুর পর আমরা অনেক উইকেট হারিয়েছি। আমি মনে করি, এটা উপযুক্ত সংগ্রহ এবং উইকেট খুব ভালো ছিল। টপ-অর্ডারে যদি আমরা ৩০-৩৫ ওভার খেলতে পারতাম, তাহলে ভিন্ন কিছু হতে পারত।’
তবে দলের পারফরম্যান্স হতাশাজনক হলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে খুশি জ্যোতি, ‘দলের চেষ্টায় হতাশ হলেও ব্যক্তিগত চেষ্টা খুবই উচ্ছ্বাসের। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ ছিলেন সালমা খাতুন। সেই সঙ্গে নাহিদা আখতার, জাহানারা আলম ও রিতু মনির কথাও বলতে চাই। গত দুই ম্যাচে লতা দুর্দান্ত খেলেছে।’
নিউজিল্যান্ডে প্রথমবারের বিশ্বকাপ খেলার প্রাপ্তিও অনেক বাংলাদেশের। ৭ ম্যাচে ৬ হারের পাশাপাশি ১ জয় পেয়েছে তারা। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রায় জেতা ম্যাচ না হারলে অর্জনের খাতায় আরেকটি পালক যুক্ত হতো বাংলাদেশর মেয়েদের। সেই সঙ্গে পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকেও বেশ নাকানি-চুবানি খাইয়েছেন সালমা-জাহানারারা।
অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার জন্য আরও বেশি ম্যাচ খেলতে চান জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘আমাদের আরও আন্তর্জাতিক খেলা প্রয়োজন। তাতে আমরা আরও শিখতে পারব। আমরা এখানে এসেছি অভিজ্ঞতা নিতে এবং ভবিষ্যতের জন্য সমস্ত ইতিবাচক অভিজ্ঞতাকে নিতে চায়। আজকাল ঘরে ঘরে, অনেক তরুনী বাংলাদেশের হয়ে খেলতে চায় এবং এই বিশ্বকাপের পরে, সংখ্যাটা আরও বাড়বে।’
