নেত্রকোনায় দুই কিশোর শ্রমিকের কিলঘুষি ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ইসমাইল (১৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে নেত্রকোনার পৌরশহরে বড়বাজারস্থ ‘সালতি ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টে’ এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
ইসমাইল পৌরশহরে ছোটগাড়া এলাকার মো. আ. বারেকের ছেলে। অভিযুক্ত আল মামুন (১৪) সদর উপজেলার হরগাতি গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছেলে।
ওই রেস্টুরেন্টের শ্রমিক শরীফ (২২) জানান, ইসমাইল ও মামুন দুজনে সালাদের জন্য শসা কাটছিলেন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে মারামারি হয়। দুজনে ওয়াশ রুমে গিয়ে মারামারি করেন। একপর্যায়ে ইসমাইল অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
রেস্টুরেন্ট মালিক রাজু বলেন, মারামারি খবর শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছে ইসমাইল। তাড়াতাড়ি করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি। পোলাপানে পোলাপানে একসঙ্গে কাজ করে একজন আরেকজনের সঙ্গে টুকিটাকি বিষয়ে লাগালাগি থাকেই।
রেস্টুরেন্টে শিশুশ্রম বিষয়ে তিনি বলেন, সব রেস্টুরেন্টে তো এই বয়সী বাচ্চাদের দিয়ে কাজ করায়।
এ ঘটনার ‘দায় কার’ বিষয়ে বলেন, যে (অভিযুক্ত) করেছে সেই নেবে। শ্রম আইন লঙ্ঘন বিষয়ে প্রশ্ন করলে চুপ থাকেন এবং সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
নেত্রকোনা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল রানা জানান, মৃতদেহের বাহ্যিক কোনো স্থানে আঘাতের চিহ্ন পায়নি। আজ (বুধবার) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন শেষে নিহতের দাফনের পরে পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত আল মামুন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
