গাজীপুরের শ্রীপুরে 'সাদা পোশাকে'র পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন বলে স্বজনরা দাবি করেছেন।
রবিবার রাতে বরমী ইউনিয়নের বরামা এলাকার বানার নদে (স্থানীয় পরিচয় শীতলক্ষ্যা) পড়ে নিখোঁজ হন মামুন মিয়া (২৮) নামে ওই ব্যক্তি।
পুলিশ জানায়, মামুন পরোয়ানাভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালালে টের পেয়ে দৌড়ে নদে লাফিয়ে পড়েন। এতে নিখোঁজ হন মামুন। পরে পুলিশ ও ডুবুরি দল চেষ্টা করেও উদ্ধার করতে পারেনি তাকে। তিনি বরামা গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার সন্ধ্যা পযর্ন্ত তাকে উদ্ধার করা যায়নি বলে স্বজনরা জানিয়েছে।
তারা জানান, রবিরার রাতে শ্রীপুর থানার এএসআই শাকিল আহমেদ মামুনকে ধরতে চেষ্টা চালায়। এর আগেও কয়েক বার তাকে এ গ্রেপ্তার করা হয়। এ ভয়ে তিনি দৌড়ে পাশের নদে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।
স্বজনদের অভিযোগ, বিনা কারণে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করার কারণে মামুন ভয়ে পানিতে পড়ে।
এ বিষয়ে এএসআই শাকিল আহম্মেদ জানান, মামুনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) রয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরেই তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পাশের নদে লাফিয়ে পড়ে। তার নামে ডাকাতি মামলা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাওয়ার সময় সাদা পোশাকে (সিভিল) কয়েক পুলিশ সদস্য মামুনকে ধরতে চেষ্টা করে। মামুন টের পেয়ে দৌড়ে পালায়। পরে শুনেছি সে পাশের বানার নদের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সোমবারেও তার কোনো সন্ধান বা মরদেহ পরিবার পায়নি। সবার ধারণা পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল মামুন।
শ্রীপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভুইয়া জানান, মামুনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। তাকে ধরতে গেলে সে দৌড়ে পালানোর সময় নদের পানিতে লাফিয়ে পড়ে। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি।
