সিদ্ধিরগঞ্জে বকেয়া বেতনের জন্য দুই শিশু শিক্ষার্থীকে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে হাজী আবেদ আলী লেন আদমজী নতুন বাজার এলাকার দারুল আরকাম তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার খাদেম মুফতি মাহমুদুল হাসান কাসেমীর বিরুদ্ধে।
গত সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হল- দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মো. নাঈম (৭) ও তার ছোট বোন জেসমিন (৫)।
শিক্ষার্থীর বাবা জামাল হোসেন বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুই সন্তানের ছয় মাসে ২৪ হাজার টাকা বেতন বকেয়া হয়। মাদ্রাসার খাদেম টাকার জন্য মোবাইল ফোনে চাপ দিতে থাকলে কয়েক দিন আগে কিছু টাকা দিয়ে বাকি টাকা ঈদের আগে পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দেই।
সোমবার দুপুরে আমার বড় মেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে ছোট দুই ভাইবোনকে বাড়ি আনতে গেলে খাদেম টাকা ছাড়া তাদেরকে যেতে দিবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে সন্ধ্যায় খবর পাই আমার দুই সন্তানকে মাদ্রাসায় তালাবদ্ধ করে আটকে রাখা হয়েছে।’
বিষয়টি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশকে অবহিত করে মাদ্রাসায় গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করি। তখন থানার এসআই মীর্জা শহিদুল ইসলাম ফোর্স নিয়ে মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, ওই মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন দুই হাজার টাকা।
মাদ্রাসার খাদেম মুফতি মাহমুদুল হাসান বলেন, সবাই ইফতারের জন্য বাইরে গিয়েছিলাম। তখন কেহ না থাকায় তাদের তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। বেতনের জন্য নয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। বেতনের জন্য তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
