ঠাকুরগাঁওয়ে শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার আকচা, নারগুন, বেগুনবাড়ি, ফাড়াবাড়ি, ইয়াকুবপুর, সালন্দরসহ ২৫টি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব।
এতে কাচা বাড়িসহ বড় বড় গাছপালা উপড়ে গেছে। বেশ কয়েকটি স্থানে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্নিত ঘটেছে। এছাড়াও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার আকচা কাজীপাড়ার আব্দুল কাদের পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তার চারটি কাঁচা ঘর ভেঙে গেছে। সকাল থেকে ভাঙা ঘর মেরামত করছেন তিনি।
তিনি বলেন, ঘরের চালা উড়ে যাওয়ায় সারা রাত বৃষ্টির পানিতে ভিজেছি।
কৃষক কালাম বলেন, তার দুই বিঘা জমির ভুট্টার ক্ষেত মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। একটি সংস্থায় ঋণ নিয়ে তিনি ভুট্টার চাষ করেছেন। এখন কীভাবে তিনি ঋণ পরিশোধ করবেন এ নিয়ে চিন্তিত।
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মিজানুর রহমান বলেন, তার আম ও লিচুর গাছের ডাল ভেঙে গেছে। এতে বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
,নারগুন কহরপাড়ার হুমায়ুন কবীর বলেন, তার আধা পাকা ধানের ক্ষেত মাটির সাথে শুয়ে গেছে। এবার তিনি ফলন কম পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবু হোসেন বলেন, ঝড়ে পাকা ধান, ভুট্টা মাটিতে শুয়ে গেছে। এছাড়াও আম-লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ফল ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।
সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার আবু তাহের মো. সামসুজ্জামান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে বলেন, কালবৈশাখীর তাণ্ডবে সদর উপজেলার অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। এছাড়াও ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। তা নিরূপণের কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
