ম্যানচেস্টার সিটির বিশাল বিশাল বিলবোর্ডগুলো এখন থেকে সাজানো হচ্ছে আর্লিং ব্রট হালান্দের ছবিতে। সমর্থকদের গোলক্ষুধা ভরানোর জন্য বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে নরওজীয় ফরোয়ার্ডকে নিয়ে আসছে সিটিজেনরা।
তবে সিটির এমন একজন আছেন, যিনি মাঝমাঠে খেলাটা বানিয়ে দিতে ওস্তাদ। মাঝেমধ্যে হয়তো গোল করেন। তবে এবার ‘গোলমেশিন’ হালান্দের ইতিহাদে আগমণের আগে আগে সেই বেলজিয়ান মিডফিল্ডারও জানিয়ে দিলেন, গোল করতে তিনিও কম যান না।
উলভসের বিপক্ষে একাই চার গোল করলেন ডি ব্রুইন! ৩০ বছর বয়সী তারকার ডান পায়ের জাদুতে সিটি জিতেছে ৫-১ গোলে। সেই সঙ্গে চলতি মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগ জয়েরও খুব কাছাকাছি চলে এলো গার্দিওলার দল।
বাকি দুই ম্যাচে জিতলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা যাবে ইতিহাদে। ৩৬ ম্যাচে ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে সিটি। সমান ম্যাচে ৮৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে লিভারপুল।
৭, ১৬, ২৪ ও ৬০— এটা কোনো ক্রিকেট ব্যাটারের স্কোর নয়; ডি ব্রুইনের গোলের সময়। তার চার গোলই এসেছে এই সময়ে। ম্যাচ শেষে প্রিয় শিষ্যের ব্যাপারে বলতে গিয়ে যেন আবেগ ধরে রাখতে পারছিলেন না গার্দিওলা।
স্প্যানিশ কোচের ভাষায় ডি ব্রুইনা, ‘অপ্রতিরোধ্য, উজ্জ্বল, অসাধারণ, অসামান্য, নিখুঁত’। হয়তো মনে পড়লে আরও কয়েকটি বিশেষণ বেলজিয়ান মিডফিল্ডারের নামের পাশে জুড়ে দিতে পারতেন গার্দিওলা।
উলভসের মাঠে রুদ্রমূর্তিই যে ধারণ করেছিলেন ডি ব্রুইনা! বার্নার্দো সিলভার পাসে সপ্তম মিনিটে দলের প্রথম গোল করেন তিনি। এরপর অবশ্য চার মিনিট পর নেটোর অ্যাসিস্টে উলভসকে সমতায় ফেরান ডেনডোনকার। এরপরে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন বেলজিয়ান তারকা। ৮৪তম মিনিটে রহিম স্টার্লিং করলেন সিটির শেষ গোল।
সেই সঙ্গে একটি রেকর্ডও গড়ল গার্দিওলার দল। প্রিমিয়ার লিগে প্রথম দল হিসেবে সিটি টানা পাঁচ ম্যাচ জিতল তিন বা তার চেয়ে বেশি গোলে।
