বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট : ৩১ মে ২০২২, ০৪:৫৬ পিএম

চট্টগ্রামের বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন সংক্রান্ত চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন টার্মিনাল হিসাবে এই বে-টামিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এক হোটেলে চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল প্রকল্পের চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন সংক্রান্ত চুক্তিপত্র স্বাক্ষর হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থিতিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান, যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কুনওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সাল্টিং কোম্পনি লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট হোয়াং কিউ ইয়াং। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল।

চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল প্রকল্পের বিস্তারিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং চট্টগ্রাম বন্দরের অধিনে মাল্টিপারপাস টার্মিনালের বিস্তারিত প্রকৌশল নকশা, ড্রয়িং ও প্রাক্কলনের জন্য পরামর্শক সেবার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কুনহোয়া ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কন্সাল্টিং কোম্পনি লিমিটেড-ডি ওয়াই ইঞ্জিনিয়ারিং  যৌথ কোম্পনির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের সাথে বে-টার্মিনাল নির্মাণ কাজের তদারকিও করবে। এজন্য ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। সম্পূর্ণ বে-টার্মিনাল প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ২১০ কোটি ডলার।

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন- তা করেন। আমরা এখন বলতে পারি বে-টার্মিনাল স্বপ্ন নয়; এটি এখন বাস্তবতা। সঠিক সময় অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর বে-টার্মিনালের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই সাড়ে ৩ হাজার মিটার টার্মিনালকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। আর্তজাতিক বাণিজ্যকে গতিশীল করার পাশাপাশি ট্রান্সশিপমেন্ট ট্রানজিট সেবার পরিসর বাড়াতে সহায়ক হিসেবে সরকার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রে বন্দর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত