কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরিকল্পিতভাবে তাকে হারানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।
বুধবার রাতে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ভোটের ফল ঘোষণার শেষ পর্যায়ে এসে তুমুল হট্টগোল হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা ফল ঘোষণায় বিরতির কথা বললে প্রতিবাদ করেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মনিরুল হকের সমর্থকরা। ফল ঘোষণার দাবিতে ভোটের ফল ঘোষণা কেন্দ্রে অবস্থান নেন মনিরুল।
পরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হকের (রিফাত) একদল অনুসারী সেখানে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এতে ফল ঘোষণা কিছুক্ষণ বন্ধ রাখার পর আরফানুলকে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী।
মনিরুলের চেয়ে ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী দেখানো হয়েছে আরফানুলকে।
ফল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনিরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তার প্রথম পরীক্ষায় বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। ফলাফল ঘোষণা দেরি করে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে পরিকল্পিতভাবে আমাকে হারানো হয়েছে। আমি এই ফলাফলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব।’
২০০৫ সাল থেকে কুমিল্লা নগরের উন্নয়নে মেয়র হিসেবে দায়িত্দিব পালন করে আসছিলেন মনিরুল হক সাক্কু। ওই বছর প্রথম কুমিল্লা পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হন তিনি। এরপর কুমিল্লা সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার ২০১২ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
