প্লাস্টিকের অতি ব্যবহারে কমছে গর্ভধারণ ক্ষমতা

আপডেট : ১৭ জুন ২০২২, ০২:১৯ এএম

প্লাস্টিকের অতিরিক্ত ব্যবহার নারীদের গর্ভধারণ ক্ষমতা নষ্ট করছে। প্লাস্টিক পণ্যে বিসফেনল নামের একটি রাসায়নিক উপাদান থাকে। প্লাস্টিক পণ্যের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা বিসফেনলের কারণে নারীদের হরমোনজনিত সমস্যা বেড়ে চলেছে। কিন্তু নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো প্লাস্টিকের ব্যবহার বাড়াতে নানা কৌশল ব্যবহার করছে।     

গতকাল বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২২-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।   

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে রাজধানীতে মাথাপিছু ২৩ কেজি প্লাস্টিকের ব্যবহার হয়েছে, যা ২০০৫ সালে ছিল ৯ কেজি। ঢাকার বাইরে ২০০৫ সালে মাথাপিছু প্লাস্টিক ব্যবহার করা হতো ৩ কেজি, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কেজিতে। দেশে সারা বছর যে পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হয়, তার ১০ শতাংশ প্লাস্টিক পণ্য থেকে আসে। এসব প্লাস্টিক বর্জ্যরে ৪৮ শতাংশ মাটিতে পড়ে আর ৩৭ শতাংশ পুনরায় ব্যবহার করা হয়; ১২ শতাংশ পড়ে খাল-নদীতে এবং ৩ শতাংশ নালায় গিয়ে মেশে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন জানান, পানিদূষণ, বায়ুদূষণ, মাটিদূষণ ও শব্দদূষণ হ্রাসের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। দেশব্যাপী প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ইতিমধ্যে ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা করা হয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকায় একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে ৩ বছর মেয়াদি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।   

তিনি আরও জানান, ই-বর্জ্য ও চিকিৎসা বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত