গাজীপুরের কাপাসিয়া-শ্রীপুর সীমান্ত এলাকায় এক মা তার দুই শিশু মেয়েকে নিয়ে বানার নদে ঝাঁপ দিয়েছেন। এ-সময় জেলেরা বড় মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ওই নারীসহ ছোট মেয়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি। গতকাল রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বরামা সেতুর পূর্ব পাশে বানার নদে (স্থানীয়দের কাছে শীতলক্ষ্যা নদী নামে পরিচিত) এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজ শুরু করে। উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম তাহমিনা (৭)। সে কাপাসিয়ার বিবাদিয়া গ্রামের আবদুল খালেকের মেয়ে। তার মায়ের নাম আরিয়া আক্তার (৩৫)। অপর বোনের নাম মোর্শিদা (৫)। সন্ধ্যা ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খরস্রোতা নদীটির অনেক ভাটিতে খুঁজেও আরিয়া আক্তার ও মোর্শিদার খোঁজ পায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে বোরকা পরিহিত এক নারী কোলে এক মেয়ে ও হাতে ধরা এক মেয়ে নিয়ে বানার নদের পূর্ব পাশের সিংহশ্রী কওমি মাদ্রাসার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকা দুই মেয়েকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন ওই নারী। মুহূর্তেই তাদের ভাসিয়ে নিয়ে যায় স্রোত। এমন ঘটনা দেখে নদীতে কাছাকাছি এলাকায় মাছ ধরা জেলেরা বড় মেয়ে তাহমিনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কাপাসিয়া থানার ওসি এসএম নাসিম জানান, এক শিশু উদ্ধার হয়েছে। শিশুসহ নিখোঁজ নারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয়রাও চেষ্টা করছে।
