ম্যাচটি ছিল ইউক্রেনের দল ডায়নামো কিয়েভের সঙ্গে তুরস্কের দল ফেনারবাচের মধ্যে। সেই ম্যাচ চলার সময় পুতিনের নামে জয়ধ্বনি দেয়া হয়। তারপরই নড়েচড়ে বসেছে ফুটবল-বিশ্ব। নিন্দায় মুখর অনেকে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, কারা এই স্লোগান দিয়েছে। উয়েফা-র শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তুরস্কের ক্লাবের বিরুদ্ধে এই তদন্ত করছে।
তুরস্কের ক্লাব প্রথম গোল খাওয়ার পর এই জয়ধ্বনি শোনা যায়। শেষপর্যন্ত ডায়নামো কিয়েভ ২-১ গোলে ম্যাচটি জেতে।
রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পরই উয়েফা ও ফিফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের কোনো প্রতিযোগিতায় রাশিয়া বা তাদের কোনো টিম অংশ নিতে পারবে না।
ডায়নামো কিয়েভের প্রতিক্রিয়া
ক্লাবের হেড কোচ ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি। পুতিনের নামে স্লোগানের পর তিনি ওই সাংবাদিক সম্মেলন বয়কট করেন।
তুরস্কের মিডিয়াকে দেয়া একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘আমি এই ধরনের পুটিন-ভজনা প্রত্যাশা করিনি’।
সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার ভিডিও দেখার পর অনেকের প্রতিক্রিয়া হলো, তুরস্কের দলকে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত।
তুরস্কে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত টুইট করে বলেছেন, তিনি গোটা ঘটনায় অসম্ভব বেদনা বোধ করছেন। কিন্তু এই অন্যায্য কাজের যারা প্রতিবাদ করেছিলেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেছেন, ফুটবল একটা ফেয়ার গেম। এই ঘটনায় ডায়নামো কিয়েভ আরো শক্তিশালী হলো।
ক্লাবের বক্তব্য
তুরস্কের ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, কিছু সমর্থক যা করেছে, তা মোটেই ক্লাবের মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করছে না। তারা ইউক্রেনের পাশেই আছে।
বলা হয়েছে, ঘটনা হলো, ডায়নামো কিয়েভের কিছু ফুটবলার গোল দেয়ার পর অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস দেখাচ্ছিলেন। তখন কিছু দর্শক ২০ সেকেন্ডের জন্য পুতিনের জয়ধ্বনি দেন।
ক্লাব জানিয়েছে, কারণ যাই হোক না কেন, তারা এই ধরনের প্রতিক্রিয়া অনুমোদন করে না। তবে কিছু সমর্থক এই কাজ করেছে। তার জন্য ক্লাবের সব সমর্থককে দায়ী করা ঠিক হবে না। আর ওই অল্পকিছু দর্শক ক্লাবের মূল্যবোধ অনুযায়ী কাজ করেনি।
