চলন্ত বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ৬ জনের ৩ দিনের রিমান্ড

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২২, ০৬:৩৩ পিএম

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দশ ডাকাতের মধ্যে ৬ জনের ৩ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি ৪ ডাকাতের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি চলমান রয়েছে। 

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসানাত এ রায় দেন।

এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন আসামিদের ৭ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), আব্দুল মান্নান (২২) ও নাঈম সরকার মুন্না (১৯)।

এছাড়াও বাকি চারজন আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিচ্ছেন। জবানবন্দি দেওয়া আসামিরা হলেন- রতন হোসেন (২১), মো. আলাউদ্দিন (২৪), রাসেল তালুকদার (৩২), আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাস নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়ে সিরাজগঞ্জ এলাকা থেকে তিন দফায় ১০-১২ জন যাত্রী তোলে। ছদ্মবেশী ওই যাত্রীরা দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাসটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চালক, চালকের সহযোগী ও যাত্রীদের হাত, পা, চোখ বেঁধে তাদের সব লুটে নেয়। এ সময় বাসে থাকা এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। পরে বাসটি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই বাসের যাত্রী হেকমত মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা করেছেন।

পরে এ ঘটনায় ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারীসহ ডাকাত চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গত রোববার রাতে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে মূলহোতা রাজা মিয়াকে গ্রেফতার করে টাঙ্গাইল জেলা ডিবি পুলিশ। পরের দিন শুক্রবার ভোরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও সোহাগপল্লী থেকে মো. আউয়াল ও নুরনবী নামে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে গ্রেফতারকৃত ওই তিনজন কারাগারে রয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত