বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জনপ্রিয়তা। সবদেশের ক্রিকেট বোর্ডই তাদের লিগগুলোর দিকে দিচ্ছে আলাদা নজর। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের কাছেও তাই গুরুত্ব বাড়ছ দ্যা হান্ড্রেডের। এজন্য আগামী বছরের অ্যাশেজ সিরিজের সূচিতেও আনতে পারে পরিবর্তন। যা গত ১৩৯ বছর কখনো দেখা যায়নি।
ইসিবি চাচ্ছে, তাদের ১০০ বলের ক্রিকেটে যত বেশি সম্ভব ইংলিশ ক্রিকেটাররা অংশ নিক। এ বছর ‘হানড্রেড’ টুর্নামেন্ট থেকে এরই মধ্যে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বেন স্টোকস ও জনি বেয়ারস্টো। ঠাসা আন্তর্জাতিক সূচির মধ্যে বিশ্রাম নিয়ে টেস্টের জন্য চাঙ্গা হয়ে উঠতে এমন সিদ্ধান্ত স্টোকস ও বেয়ারস্টোর।
ইসিবি যেহেতু ইংলিশ ক্রিকেটারদের যত বেশি সম্ভব ‘হানড্রেড’-এ অংশ নেওয়ার পক্ষে, তাই ২০২৩ সালে ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজের সূচিতে পরিবর্তন আনা হবে। এই সিরিজে আগস্ট মাসে কোনো টেস্ট ম্যাচ রাখা হবে না। হানড্রেডসে বেশিসংখ্যক ইংলিশ ক্রিকেটার যেন খেলতে পারেন, সে কারণেই অ্যাশেজ এগিয়ে আনার পরিকল্পনা হচ্ছে। আগস্টে যদি অ্যাশেজ সিরিজে কোনো হোম টেস্ট না রাখা হয়, তাহলে এমন ঘটনা গত ১৩৯ বছরের মধ্যে এই প্রথম দেখা যাবে।
তবে এটি সম্ভব হবে যদি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ড (সিএ) এ ব্যাপারে একমত হয়। তবে ইংল্যান্ডের গণমাধ্যমগুলো মনে করছে, ইসিবির এ ধরনের সিদ্ধান্তে দ্বিমত পোষণ করার কিছু নেই অস্ট্রেলিয়ার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার পথে আছে অস্ট্রেলিয়া। সেটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জুনের শুরুতে। অ্যাশেজ যদি এরপর শুরু হয়, তাহলে সেই টেস্ট দিয়ে আশেজের প্রস্তুতি সেরে নিতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজের পাঁচটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে পরের সাত সপ্তাহের মধ্যে। অ্যাশেজের আগে ইংল্যান্ডের আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলার কথা।
মোটকথা হানড্রেডসের জন্য আগস্টকে উন্মুক্তই রাখতে চায় ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড। এ জন্য ২০২৪ সাল থেকে আগস্ট মাসকে হানড্রেডের জন্য স্থায়ীভাবে বরাদ্দ রাখা হবে। ভবিষ্যতে ইংল্যান্ডের সব হোম সিরিজই আগস্টের আগেই শেষ হবে—এটা প্রায় নিশ্চিতই। এ বছর ৩ আগস্ট থেকে ‘হানড্রেড’ টুর্নামেন্টটি শুরু হয়েছে। শেষ হবে ৩ সেপ্টেম্বর।
