বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) নির্বাচনে ফালগুনী হামিদ পুনঃরায় সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শপথ চৌধুরী।
গত ১৪ আগস্ট সিনিয়র সাংবাদিক ও বাচসাসের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রফিকুজ্জামান চূড়ান্ত প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেন। অন্য কোন বৈধ প্রার্থী না থাকায় ফালগুনী হামিদ ও শপথ চৌধুরীর প্যানেলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বলে ঘোষণা করে বাচসাস নির্বাচনের ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশন বোর্ড।
জানা গেছে, একমাত্র সভাপতি পদে ফালগুনী হামিদের বিপরীতে কাজী ফারুখ বাবুল মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়নপত্র ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। বাচসাসের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ১ সেপ্টেম্বর এফডিসিতে। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ১ সেপ্টেম্বর আর কোন ভোট করার প্রয়োজন হচ্ছে না।
আগামী ২ বছরের জন্য নির্বাচিত কার্যকরী কমিটিতে আছেন দেশের সকল সেরা গণমাধ্যমের বিনোদন সাংবাদিকরা। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া অন্য নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা হলেন, সি:সহসভাপতি-আবিদা নাসরিন কলি, সহসভাপতি-সৈকত সালাউদ্দিন, সহসাধারণ সম্পাদক-সৈয়দ মইনুল হক রোজ, অর্থ সম্পাদক-মইন আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক-লিমন আহমেদ, আন্তর্জাতিক ও গবেষণা সম্পাদক-জনি হক, ক্রীড়া সম্পাদক-মাহমুদ মানজুর, সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক-শ্রাবণী রাখি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-মীর সামী, দপ্তর সম্পাদক: মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ভূইয়া। কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন, ইব্রাহিম খলিল খোকন, তুষার আদিত্য, রেজাউল করিম রেজা, এম এস রানা, শফিক আল মামুন, দাউদ হোসাইন রনি, আল কাছির ভুইয়া, এ.টি.এম মাকসুদুল হক এবং কামরুজ্জামান বাবু।
নির্বাচন কমিশন বোর্ডে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রফিকুজ্জামান এবং নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল হক শামীম, ইকবাল খোরশেদ, আলী ইমাম সুমন এবং মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
পুনঃ নির্বাচিত হয়ে ফালগুনী হামিদ বলেন, আগেরবার যখন নির্বাচিত হলাম, তখন করোনার কারণে প্রায় ১৫ মাস আমরা অনেকগুলো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। তারপরেও আমরা বিভিন্ন ত্রাণ কার্যক্রম চালু করেছিলাম। চলচ্চিত্রের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভা সেমিনার করেছি। একটি সফল পরিবার দিবস করেছিলাম। এবারে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে চাই।
সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে শপথ চৌধুরী বলেন, সুসাংবাদিকতার দিকে জোর দিতে চাই। আমাদের সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে যেন কোন সমস্যা না হয়, সাংবাদিকদের কল্যাণে যা যা করা দরকার এবং সর্বশেষ কমিটি যে ধারাবাহিকতায় কাজ করেছে, তা এগিয়ে নেওয়া এবং সৃজনশীল কিছু করার চেষ্টা করবো।
