সিলেটের এমসি (মুুরারি চাঁদ) কলেজের ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা দুই মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রশ্নে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়।
দুই অভিযোগের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর প্রক্রিয়া গ্রহণে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। দুই মামলার বিচারকাজ একই আদালতে করতে এ রিট আবেদনটি করেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও এম আবদুল কাইয়ুম লিটন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ^াস।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক নবদম্পতি এমসি কলেজে বেড়াতে গেলে কলেজের ছাত্রাবাসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তরুণী। এ ঘটনায় নগরের শাহপরান থানায় ধর্ষণ, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুটি মামলা হয়।
ধর্ষণের মামলায় আটজনের বিচার চলছে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। তবে দেড় বছর আগে অভিযোগ গঠন করা হলেও এখনো সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি বলে জানান ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, কয়েক মাস আগে সিলেটের জেলা প্রশাসন মামলা দুটির বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বদলির সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
