ঘটনাটা গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। রশিদ-নবীদের স্পিন ঘূণি কাবু করে ফেলেছিল পাক ব্যাটারদের। খেলা শেষ হতে তখনও ১২ বল বাকি ছিল। জিততে হলে বাবরদের প্রয়োজন আরও ২৪ রান। এমন সময় করিম জানাত বোলিংয়ে আসেন। আর সেই ওভারেই চার ছক্কায় ম্যাচ শেষ করে দেন আসিফ আলি। আসিফের ক্ষেত্রে এমন উদাহরণ আছে আরও অনেক ম্যাচেই।
হার্ডহিটিং ব্যাটিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন পাকিস্তানের এই মিডল অর্ডার। টি-টোয়েন্টিতে স্ট্রাইকরেটটাও দেড়শ ছুঁইছুঁই। কঠিন পরিস্থিতিতে ছক্কা মেরে দলকে জেতানোই যেন এখন তার মূল কাজ। এশিয়া কাপকে সামনে রেখে ছক্কার প্রস্তুতিটাই তিনি সেরেছেন জোরেসোরে।
পাকিস্তানের আক্রমণাত্মক এই ব্যাটার জানান, প্রতিদিনের অনুশীলনের সময় তিনি নাকি ১০০ থেকে ১৫০ ছক্কা মারেন।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলাপকালে আসিফ আলি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন অনুশীলনে ১০০ থেকে ১৫০টি ছক্কা মারার চেষ্টা করি, যাতে ম্যাচে ৪ থেকে ৫টি ছক্কা মারতে পারি।’
আসিফ যোগ করেন, ‘যেখানে আমি ব্যাট করি সেখানে প্রতি ওভারে আপনাকে ১০ থেকে ১২ রান করতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার উপর চাপ থাকে। পরিস্থিতিতির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছি।’
আসিফ আলি আরও বলেন, 'এ ধরনের কাজ করলে ম্যাচে আরাম পাওয়া যায়। আমি কোনো নির্দিষ্ট শট মাথায় নিয়ে ব্যাট করতে আসি না। যেখানেই বল পাব, শট খেলব। এই জিনিসটা সবসময় মাথায় থাকে।'
এশিয়া কাপ মাঠে গড়াচ্ছে ২৭ আগস্ট। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম ম্যাচ তার ঠিক পরের দিনই।
