দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকেরই দৃষ্টি ছিল 'আয়নাঘর'-এ। একটি ভ্যানে লোহার গ্রিল দিয়ে কারাগারের মতো বানানো হয়। এতে গুম হওয়া নেতাকর্মীদের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টার লাগানো ছিল। পোস্টারে লেখা ছিল 'হে বাংলার জনগণ এই অবৈধ সরকারের আয়নাঘর থেকে আমাদেরকে মুক্ত কর'। কারাগারের ভেতরে একজন কর্মী দাঁড়িয়ে ছিলেন। তার হাত শিকল দিয়ে পেঁছানে বাঁধা ছিল। কেন্দ্রীয় যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইছহাক সরকারকে আয়নাঘরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

সম্প্রতি সুইডেনভিত্তিক একটি গণমাধ্যমে আয়নাঘর নামক টর্চার সেলের বিষয়টি উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়। দু-একজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। যারা এখান থেকে সৌভাগ্যক্রমে বের হন তারা চুপ হয়ে যান। বিএনপির পক্ষ থেকে এই আয়নঘরের বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখা চাওয়া হয়। তবে সরকার এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
