এশিয়া কাপের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন ভিরাট কোহলি। দুইটি হাফসেঞ্চুরিতে চেনা রূপে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অবশেষে ফিরলেন তার মতো করেই। সহস্রাধিক দিনের খড়া কাটিয়ে করলেন সেঞ্চুরি। ভিরাটের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম শতকে ভর করে আফগানিস্তানকে ২১৩ রানের লক্ষ্য দিলো ভারত।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন কোহলি। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মার বিশ্রামে তাকে নামানো হয় ওপেনার হিসেবে। আর তাতেই করলেন বাজিমাত। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৭১তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন। ৬১ বল খেলে ১২২ রানের ঝড়ো একটা ইনিংস খেললেন। যা সাজিয়েছেন ১২টি চার ও ৬টি ছক্কায়।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন লোকেশ রাহুল এবং বিরাট কোহলি। আফগানদের পেয়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন বিরাট কোহলি এবং লোকেশ রাহুল। তাদের ব্যাটে বড় স্কোরের পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল ভারত।
শুধু তাই নয়, টানা তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করার পর অবশেষে আজকের ইনিংসটিকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করলেন কোহলি। এ নিয়ে চলতি টুর্নামেন্টে তৃতীয়বার ৫০ উর্ধ্ব রান বেরিয়ে আসে কোহলির ব্যাট থেকে। হংকংয়ের বিপক্ষে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি করেন ৬০ রান।
উদ্বোধনী জুটিতে ১১৯ রান তুলেছেন কোহলি এবং লোকেশ রাহুল। ৪১ বলে ৬২ রান করে লোকেশ রাহুল। ৬টি বাউন্ডারি এবং ২টি ছক্কার মার মারেন তিনি। সূর্যকুমার যাদব মাঠে নেমে একটিমাত্র ছক্কা মেরেই বোল্ড হয়ে যান ফরিদ আহমেদের বলে।
এরপর আর কোনো উইকেট পড়লো না। রিশাভ পান্তকে নিয়ে ৮৭ রানের জুটি গড়েন কোহলি। এর মধ্যে ২০ রান কেবল পান্তের। বাকিগুলো সব কোহলির। ৬১ বলে ১২২ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। ১২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৬টি ছক্কার মারও মারেন তিনি। ১৬ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন রিশাভ পান্ত।
