আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমের আইনি কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে তারা। আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের পর ইউজিসি গতকাল বৃহস্পতিবার এ পরামর্শ দিল।
ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ১২ (১) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টি সাময়িক অনুমতিপত্রের মেয়াদের মধ্যে সনদপত্রের জন্য আবেদন করেনি এবং সনদপত্র প্রাপ্তির জন্য আইনের ধারা ৯ এর শর্তগুলো পূরণেও ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রমে আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।
আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট স্থাপন ও পরিচালনার সাময়িক অনুমতি পায়। তবে শর্তাবলি প্রতিপালন ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০০৬ সালে সরকার বিশ^বিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের দাবিদার তিনটি পক্ষ বিভিন্ন ঠিকানায় বেআইনিভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মানারাত ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন : মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর চেয়ারম্যান করা হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রকে। গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৬ ধারার (১০) লঙ্ঘন করায় ৩৫(৭) ধরা অনুযায়ী ১৩ সদস্যের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ পুনর্গঠন করা হলো।
গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে পুনর্গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যদের নিয়ে একটি সমন্বয় সভা হয়। সমন্বয় সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
