সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কারণে দুর্নীতি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে দুর্নীতি কমতে শুরু করেছে। আগামীতে আরো কমবে। প্রধানমন্ত্রী একটি আদর্শ ও লক্ষ্য নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশের মানুষ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। বন্দরগুলো ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। যত বেশি ডিজিটালাইজড হবে; দুর্নীতি তত কমে যাবে। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে স্ক্যানার বসানো হয়েছে। আরো বেশি স্ক্যানার বসানো হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও স্ক্যানার বসানো হবে। সবকিছু ডিজিটালাইজড হলে অসৎ ব্যবসায়ীরা ফাঁকি দিতে পারবে না; সরকারি ফ্যাসিলিটিগুলো ফাঁকি দিতে পারবে না, বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ধানমন্ডিতে শিপার্স কাউন্সিল অফ বাংলাদেশের (এসসিবি) অফিসে শিপার্স কাউসিল, ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক (জিসিএনবি) এবং মেরিটাইম এন্টি-করাপশন নেটওয়ার্কের (এমএসিএন) যৌথ উদ্যোগে ‘মিটিগেটিং করাপশন ফর ইকোনমিক গ্রোথ ইন দ্য মেরিটাইম সেক্টর’ শীর্ষক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
এসসিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জিসিএনবি এর নির্বাহী পরিচালক শাহামিন এস. জামান। সেমিনারে দুটি পেপার উপস্থাপন করেন মেরিটাইম এন্টি-করাপশন নেটওয়ার্কের প্রকল্প পরিচালক এবং সাবেক ডিজি শিপিং কমোডর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, বিএন (অব) এবং শিপার্স কাউন্সিলের পরিচালক সৈয়দ মো. বখতিয়ার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সমস্যা হচ্ছে, ধৈর্য্যের অভাব। গত ৫০ বছরে আমাদের সমসাময়িক যেসব দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে তারা অনেক এগিয়েগেছে। আমাদের অনেক সম্ভাবনা ছিল। অনেক সরকার ছিল। তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য রাস্তা ছিল; কিন্তু জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে তারা কিছু করেনি। বর্তমানে দেশপ্রেমিক সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি কমাতে সরকার আন্তরিক। এজন্য সকলের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। ভাল উদ্যোগগুলোকে পেছনে টেনে ধরার অনেকের অভ্যাস রয়েছে। এতদিন তারা বাংলাদেশ শ্রীলংকার মতো হয়ে যাবে বলে চিৎকার করেছে। এখন আর সে কথা বলে না। বাংলাদেশ এখন টার্নিং পয়েন্টে আছে। এখন দেশে যুবশ্রেণির সংখ্যা বেশি। এ সময়টাকে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। আবার কেউ কেউ পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুল আহসান, ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম আমিনুল মান্নান (খোকন) এবং পরিচালকবৃন্দ মো. নুরুচ্ছাফা বাবু, জিয়াউল ইসলাম, আতাউর রহমান খানসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
