ভুল করে ভুল কেন্দ্রে চলে আসেন উদয়ন স্কুলের শিক্ষার্থী মীম। তার কেন্দ্র ছিল উত্তরা গার্লস স্কুল, কিন্তু তিনি চলে আসেন উত্তরা বয়েজ স্কুল। নবাব হাবিবুল্লাহ স্কুলে ভুলক্রমে চলে আসে শিলা আক্তার তার কেন্দ্র উত্তরখান ইউনিয়ন স্কুল। পরে তাদেরকে পুলিশের মোটরসাইকেল ও গাড়ি করে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।
একইভাবে ভুল করে বাসায় প্রবেশপত্র ফেলে আসেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের বাসা থেকে প্রবেশপত্র এনে দেয় পুলিশ। যানজটে আটকা শিক্ষার্থীদেরও বিশেষ মোটরসাইকেলে করে কেন্দ্রেও দিয়ে আসে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি বুথ খোলা হয়েছে। এ ধরনের বিশেষ সেবা নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘সাপোর্ট’ নামে বিশেষ সেবা চালু করে ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানা।
এই বিশেষ সেবাকে অনেক অভিভাবক স্বাগত জানিয়েছেন। এ ধরনের ব্যতিক্রম সেবা চালু করায় শিক্ষার্থীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

এদিকে ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল রাখতে কঠোর পরিশ্রম করছে উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ।
গতকাল ডিএমপি নিউজ পোর্টালে বিআরটি প্রকল্পের চলমান কাজ এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, গাজীপুর ও বিমানবন্দর গমনকারী যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে যাত্রা করার অনুরোধ জানান ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন পিপিএম (বার) দেশ রূপান্তরকে জানান, সেবার আওতায় পুলিশের ১০ টি মোটরসাইকেল যানজট প্রবণ এলাকায় রাখা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা যানজটে আটকা পড়লে সেই মোটরসাইকেলে করে তাদের কেন্দ্রে পৌঁছে দেবে। এ ছাড়া আলাদা তিনটি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে কেউ ভুলে প্রবেশপত্র ফেলে আসলে সেটা এনে দেওয়া জন্য সদস্যরা কাজ কবে।
সকালে উত্তরা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের ফুল ও কলম দিয়ে স্বাগত জানায় উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ সদস্যরা। পুরো পরীক্ষাজুড়ে এই কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
