যদি চাও সুন্দর হাতের লেখা

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৩৭ পিএম

সুন্দর হাতের লেখা ও উপস্থাপনার কিছু কৌশল অবলম্বন করে পরীক্ষার খাতাকে দৃষ্টিনন্দন করে তোলা যায়। এর ফলে বেড়ে যায় বেশি নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা। সুন্দর হাতের লেখা ও উপস্থাপনার কৌশল জানাচ্ছেন বিপুল জামান

কলম ধরার নিয়ম : অনেকে দেখা যায় কলম ধরে শক্ত করে। এতে শক্তির অপচয় ঘটে, হাত ব্যথা হয়ে যায় দ্রুত, ক্লান্ত হয়ে পড়তে হয়। এমনকি অক্ষরগুলোও আঁকাবাঁকা হয়ে যায়। এটি হাতের লেখা খারাপ হওয়ার একটি কারণ। তাই হাতের লেখা সুন্দর করতে এবং পরীক্ষায় ভালো করতে কলমটি আস্তে করে, হালকা করে ধরার অভ্যাস করো।

হাত এবং কবজি শক্ত করে রেখো না : লেখার সময় হাত শক্ত করে রেখো না। লেখার সময় যেন হাত ও কবজি নমনীয় থাকে সেজন্য কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিতে পারো যেন যথেষ্ট নমনীয় হয়। এর ফলে জড়তাও দূর হবে।

তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা : বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ করা যায়। কিন্তু লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। তাই দ্রুত শেষ করাকে গুরুত্ব না দিয়ে প্রতিটি অক্ষর কীভাবে সুন্দর করা যায় সেটাকে গুরুত্ব দাও। একটু ধীরে লেখো এবং প্রতিটি অক্ষরকে সুন্দর করে লেখার প্রতি মনোযোগী হও। অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করো। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার আকারে নিয়ে আসো।

ফাঁকা ফাঁকা করে লেখো : শব্দ থেকে শব্দ, এক লাইন থেকে আরেক লাইনের মধ্যে এবং এক প্যারা থেকে আরেক প্যারার মধ্যে জায়গা যথেষ্ট ফাঁকা রেখে লেখো। এতে দেখতে যেমন ভালো লাগবে তেমনি শিক্ষকের পড়তেও সুবিধা হবে। তুমি কী লিখলে সেটা যদি শিক্ষক পড়তেই না পারেন তবে নম্বর দেবেন কীভাবে? তাই উত্তরপত্রে যথেষ্ট ফাঁকা রেখে লেখো।

মার্জিন টানো : তোমার খাতা আরও দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠবে তুমি যদি ভিন্ন কালি (লাল বাদে) দিয়ে সুন্দর করে মার্জিন টানো। মার্জিন টানলে তোমার লেখার লাইনগুলোও  হবে সোজা। দেখতে ভালো লাগবে।

পয়েন্টগুলো ভিন্ন কালিতে লেখো : পয়েন্টগুলো ভিন্ন কালিতে (লাল বাদে) লিখলে সেগুলো শিক্ষকের চোখে পড়বে। আর তার মূল্যায়নেও সুবিধা হবে। সেই সঙ্গে তোমার ভালো নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

একটানে ভুল সংশোধন : কোনো শব্দ বা বাক্য ভুল হলে সেটাকে একটি হালকা দাগ দিয়ে কেটে দাও। আবার বলছি, শুধু ‘একটি’ দাগ; একটি ‘হালকা’ দাগ। ভুল অংশটুকু বারবার কাটাকাটি করলে সেটিই শিক্ষকের চোখে বেশি পড়বে এবং খাতার সৌন্দর্য চলে যাবে। তাই হালকা একটা দাগ দিয়ে সেটা কেটে দাও। বেশি ঘষামাজা করবে না।

অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো যত বেশি অনুশীলন করবে সুন্দর করে লেখার  দক্ষতা ততই বাড়বে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত