একতা কাপুর এবং তার মা শোভা কাপুরের কাছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছায়নি। এমনটাই দাবি করলেন তাদের আইনজীবী। তিনি জানান, বালাজি টেলিফিল্মসের দুই কর্ণধারের বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিই হয়নি। বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল, 'ট্রিপল এক্স ২' সিরিজে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সম্মানহানির অভিযোগে একতা ও শোভা কাপুর গ্রেপ্তার হতে পারেন। বিহারের বেগুসরাই আদালত নাকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করে দিয়েছে। তবে দুই প্রযোজকের আইনজীবী জানিয়ে দিলেন, তার ক্লায়েন্টের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট পৌঁছায়নি। এক বিবৃতি দিয়ে আইনজীবী বলেছেন, 'বিগত কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে, একতা কাপুর এবং শোভা কাপুরের বিরুদ্ধে নাকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে বিহারের বেগুসরাইয়ের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। এই মর্মে বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।'
তিনি আরো বলেন, 'এক আইনজীবীর দাবির ভিত্তিতে ওই খবর লেখা হয়েছে। ওই আইনজীবী নাকি এই পিটিশন দায়ের করেছেন। ওই ব্যক্তির দাবি মিথ্যা। একতা কাপুর এবং শোভা কাপুরের কাছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পৌঁছয়নি।'
ঠিক কি দাবি করেন অভিযোগকারী শম্ভু কুমারের আইনজীবী হৃষিকেশ পাঠক? তিনি জানিয়েছিলেন, একতা এবং তার মায়ের নামে আইপিসি ৫২৪/সি ধারায় মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। 'ট্রিপল এক্স ২' সিরিজের কারণেই তারা বিপাকে পড়েন। কেন? আসলে ওই সিরিজের একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছিল, এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী অন্য পুরুষকে স্বামীর ইউনিফর্ম পরিয়ে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। যে সময় তার স্বামী সীমান্তে দেশের সুরক্ষার দায়িত্বরত, সেই সময়েই ওই কাণ্ড ঘটাচ্ছে সে। ওই দৃশ্যটি ভারতীয় সেনার সম্মানহানি করেছে বলে অভিযোগ তোলেন প্রাক্তন এক সেনা কর্মকর্তা। আদালতের পক্ষ থেকে সমন পাঠানো হয়েছিল একতা ও শোভা কাপুরকে। এবার জারি করা হলো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
অভিযোগকারীর দাবি, ওই দৃশ্যটি তাকে খুবই মর্মাহত করেছে। যারা দেশকে রক্ষা করার জন্য নিজেদের প্রাণ ঝুঁকির মধ্যে ফেলছেন, তাদের নিয়ে এহেন দৃশ্য কেন দেখানো হবে? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অভিযোগকারীর দাবি, সেনাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখা উচিত। এভাবে সেনাকে অপমান করার অধিকার কারো নেই। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া
