খেলাপি হওয়া ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ছাড় দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া বিজ্ঞপ্তির চারটি ধারা বাতিল প্রশ্নে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, আইন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলেছে হাইকোর্ট।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত ১৮ জুলাই খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ৪ (২) (৩) ৫ ও ৬ এবং ৯ ধারার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। যাতে খেলাপি ঋণে কী কী সুবিধা দেওয়া হবে এ সংক্রান্ত ক্ষমতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে এবং এখানে ব্যাংকের মালিকদের প্রাধান্য পেয়েছে। এতে করে ঋণখেলাপিরা বিশেষ সুবিধা পাবেন।’
