সরকারি নির্দেশনা মেনে চললে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ.বি.এম আমিন উল্লাহ নুরী।
তিনি বলেছেন, আমরা সড়কে আর দুর্ঘটনা দেখতে চাই না, সড়ক হোক নিরাপদ। এমন কোনো দিন নেই বা এমন কোনো সময় নেই যে আমাদের দেশের সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনা ঘটছে না। দুর্ঘটনায় আহতদের আর্তনাদ আর নিহতদের পরিবার-পরিজনের বুক ভরা কান্না যে কোনো মানুষকে কাঁদিয়ে ছাড়ছে। আমরা একটু সচেতন হলেই সড়ক হবে নিরাপদ। এ জন্য প্রয়োজন সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কর্যালয়ের মিলনায়তনে ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২২’ ও ‘ওয়ার্ল্ড ডে অফ রিমেম্বারেন্স ফর রোড ট্রাফিক ভিকটিমস-২০২২’ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যেগে মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন এবং গ্লোবাল হেলথ্ এডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ড. শরিফুল আলম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সচেতনের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব।
তাই তিনি ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে সচেতন ক্যাম্পেইন করার আহ্বান জানান। সেক্ষেত্রে বিআরটিএ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য দ্রুত বিধিমালা জারি ও বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেইফটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান প্রকল্পের বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন মাসব্যাপী নিরাপদ সড়ক ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের মধ্যে চালকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা, প্রদীপ প্রজ্জ্বালন, মোটরসাইকেল র্যালি অন্যতম।
