খানাখন্দে পানি, গাজীপুরের যানজট এসে ঠেকেছে বনানীতে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:২৯ পিএম

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে দুইদিনের টানা বর্ষণের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর অংশে গর্ত ও খানাখন্দে পানি জমে আছে। এর ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কটিতে যানবাহনের দীর্ঘগতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।  এ যানজট ঢাকার বনানী পর্যন্ত ছাড়িয়েছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে চলাচলকারী পরিবহন শ্রমিকরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে সোমবার থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দ তৈরি ও পুরনো খানাখন্দগুলো বড় আকার ধারণ করে অনেক জায়গাতেই গর্তে পরিণত হয়েছে। 

পুলিশ ও বিআরটি প্রকল্পের কর্মকর্তারা ইট, বালুসহ নানা উপকরণ দিয়ে সেই খানাখন্দ মেরামত করলেও ভারি যানবাহন চলাচল করায় তা উঠে গিয়ে বড় গর্তের তৈরি হয়েছে। এসব খানাখন্দ ও গর্তের কারণেই যানজটের তৈরি হয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার (২৬ অক্টোবর) ভোর থেকে এ যানজট দেখা যায়। যার প্রভাব পড়েছে রাজধানীর অন্যান্য সড়কগুলোতেও। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বেড়েছে।

এদিন ভোর থেকেই উত্তরা-আব্দুল্লাহপুর হয়ে গাজীপুরগামী সড়কে যানবাহনের জটলা দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অফিসের সময় শুরু হওয়ার আগেই যানজট বনানী ছাড়িয়ে গেছে।

ডিএমপির ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, সকালে অফিসগামী গাড়ি চলাচলের জন্য সড়কে গ্যাপ তৈরি করার কারণে যানজট বনানী পর্যন্ত গিয়ে ঠেকে। তবে এখন গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু বিকেলে অফিসগামী গাড়ির চাপ বাড়লে গাজীপুরের ট্রাফিক বিভাগ যদি তা সামলাতে না পারে, তাহলে তার প্রভাবে যানজটের দীর্ঘসারি আবার তৈরি হতে পারে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক বিভাগ) অশোক কুমার পাল বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিআরটি প্রকল্পে কাজ চলমান। টঙ্গীর মিলগেট এলাকায় সড়কে গর্ত করে উড়াল সেতুর পিলার তোলা হয়েছে বৃষ্টিতে সেই গর্তের পাড়ের মাটি ভেঙে পড়ায় মহাসড়কের ওই অংশে ঢাকামুখী এক লেনে গাড়ি চলাচল করছে। এখানেই মূলত যানজট হচ্ছে। 

এ ছাড়া বৃষ্টিতে খানাখন্দে পানি জমে থাকায় বিআরটি প্রকল্পের কর্মকর্তারা ইট-সুড়কি দিয়ে মেরামত করেছিল। ভারি যানবাহন সেগুলো উঠে গেছে। খানাখন্দগুলো বড় হয়ে গিয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

বিআরপি প্রকল্পের অগ্রগতি, দুর্ভোগের করণীয় জানতে প্রকল্পের পরিচালক মো. মহিরুল ইসলাম খানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগে চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত