২৭ লাখ টাকা বিল বাকি, কাহালু পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২২, ১২:৫৩ পিএম

বগুড়ার কাহালু পৌরসভার মেয়র অনুরোধ করলেও তা শোনেননি নেসকো কর্মকর্তারা। ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লি. (নেসকো) দুপচাঁচিয়া অফিসের লোকজন কাহালু পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর পৌরসভার প্রায় সকল কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে।

পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. একলাসের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পৌরসভার বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ ছিল ৩৮ লাখ ৯ হাজার ৩৯৯ টাকা। ওই সময় থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হচ্ছে।

নেসকো পত্র দিয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের তাগাদা দেওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হচ্ছে।

৩৮ লাখ ৯ হাজার ৩৯৯ টাকা থেকে কমিয়ে বর্তমানে বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৩ টাকা।

কাহালু পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান বলেন, আমি গত বছরের ৫ মার্চে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল, পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও কাউন্সিলরদের বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করে আসছি।

এছাড়াও আগের মেয়রের আমলে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ধীরে ধীরে পরিশোধ করে আসছি।

পৌরসভার ঋণের বোঝা নিয়ে আমি দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছি ঋণ পরিশোধের জন্য।

বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন যখন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আসে তখন তাদেরকে অনুরোধ করেছি আগামীকাল ২ লাখ টাকা এবং এক মাসের মধ্যে ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করবো।

তারপরেও পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্মসহ প্রায় সব কাজই বন্ধ হয়ে গেল।

নেসকো’র দুপচাঁচিয়া অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মোসাদ্দেক কবীর জানান, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে কাহালু পৌর পক্ষকে ৪টি ত্যাগাদাপত্র দেওয়া হয়েছে। ত্যাগাদাপত্র দেওয়ার পরও বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় সরকারি বিধি মোতাবেকই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, পৌরসভার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় পৌরসভা কার্যালয় ও পৌর এলাকার রাস্তাগুলোতে জ্বলবে না বৈদ্যুতিক লাইট। অনেকে মন্তব্য করেছেন পৌরসভায় বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলে পৌর নাগরিকরা নানামুখী সমস্যায় পড়তে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত