জ্বালানি তেলের মূল্যে ভর্তুকি না দিয়ে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধিদল। এ ছাড়া জ্বালানি তেল আমদানি, বাজারব্যবস্থা এমনকি ভর্তুকির বিষয়ে আলোচনা করেছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল।
বৃহস্পতিবার জ্বালানি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মাহবুবুর রহমান ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এবিএম আজাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে জ্বালানি তেলের ভর্তুকি কমানো বিষয়ে আলোচনা হয়। আইএমএফ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে জ্বালানি বিভাগের সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চায়। বর্তমানে দেশের জ্বালানির ব্যবহার, গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন এবং বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির অর্থায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়। জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি নিয়েও কথা হয়।
আইএমএফ প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্যে ভর্তুকি না দিয়ে বাজারমূল্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় কিনা? তবে বিপিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত এক বছরে তিন দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ানো কঠিন হবে।
এ বিষয়ে বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, আইএমএফ প্রতিনিধি মূলত বিপিসির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছে। জ্বালানি তেলের আমদানি, বাজারব্যবস্থা এমনকি ভর্তুকির বিষয়ে।
জ্বালানি বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি খাত নিয়ে আইএমএফ প্রতিনিধিদলের অনেক কিছু জানার ছিল। জ্বালানি বিভাগ থেকে তাদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি খাতে সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
