বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে নানাভাবে বাধা দিয়ে সরকার আমাদের ক্ষতি চেয়েছিল। কিন্তু এতে সুযোগে আমাদের কিছু লাভই হয়েছে।
রোববার সকালে রাজশাহীর একটি হোটেলে সম্মেলন পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, জিয়া অরফারেজ ফান্ডের অর্থ অব্যবস্থাপনার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার শাস্তি হয়েছে। তছরুপ হয়নি। বর্তমানে সেই প্রতিষ্ঠানে ৮ কোটি টাকার ওপরে টাকা রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের বাধার কারণে তিন ঘণ্টার সমাবেশ তিন দিনের হয়ে গেছে। রাজশাহীতে সারা বিভাগের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। রাজশাহীর মানুষ তাদের খাবার দিয়েছে। বিভিন্ন সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের কষ্ট সবার সামনে, বিশ্বের সামনে উঠে এসেছে। অনেকেই দল করে না কিন্তু আমাদের সহায়তা করেছেন। এগুলোতে আমাদের লাভই হয়েছে।
তিনি বলেন, এই যে তিন দিন বিভিন্ন জেলার মানুষ ঈদগাহ মাঠে একসঙ্গে অবস্থান করল। এক জেলার খোঁজ আরেক জেলা নিল। একজনের খবর আরেকজন জানল এতে তাদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন হলো। এটা খুব কার্যকর জিনিস। এতে আমাদের লাভ হয়েছে। মিডিয়ার মাধ্যমে সারা বিশ্ব সরকারের আচরণ সম্পর্কে জানল, এগুলো অনেক লাভ হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরো বলেন, প্রতিটি সমাবেশে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। সামরিক শাসন দেখেছি, গণঅভ্যুত্থান দেখেছি। কিন্তু এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘রাজশাহীতে বাস ধর্মঘট হবে না’। কিন্তু রাজশাহীতে হয়েছে। বিএনপির সমাবেশ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মঘট শেষ। এটা মানুষের সঙ্গে রসিকতা ছাড়া কিছুই না।
তিনি বলেন, ধর্মঘট হলে পুলিশ সেটিকে বাধা দেয়। কিন্তু এই বাস ধর্মঘটে পুলিশ নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছে। নেতাকর্মীদের বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছে। এতে কি সরকারে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়?
মতবিনিময়কালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল মাহমুদ টুকু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু উপস্থিত ছিলেন।
