ফ্রান্সের সামনে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর এই অর্জনে তারাই হবে দ্বিতীয় দল। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে দলটিতে। ‘ক্যামেল ভাইরাস’-এ আক্রান্ত হয়ে মরক্কোর বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলতে পারেননি ফ্রান্সের ডিফেন্ডার দায়োত উপামেকানো ও আন্দ্রিয়াঁ রাবিও। ফাইনালের আগে এই তালিকা দীর্ঘ হতে পারে বলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে দলটিতে।
সেমিফাইনালের আগে জ্বর এসেছে রাবিও ও উপামেকানোর। এরপর শুরু হয় কাশি, সঙ্গে ডায়রিয়া। সেমিফাইনালে অবশ্য এ দুজনের অভাব খুব একটা টের পায়নি ফ্রান্স দল। তবে ফাইনালে ওঠার পর ফরাসি দলে খবর আসে, ‘ক্যামেল ভাইরাস’ ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ দেখা দিয়েছে কোমানের।
ফাইনালে এ তিনজন না খেলতে পারলে হয়তো খুব বেশি ক্ষতি হবে না ফ্রান্সের। কিন্তু দলটির কোচ দিদিয়ের দেশমের দুশ্চিন্তা, ক্যামেল ভাইরাস যদি এ তিনজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। যদি আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে ফাইনাল খেলা মুশকিল হয়ে যাবে।
ভাইরাসে আক্রান্ত তিন খেলোয়াড়কে আপাতত আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। দেশম বলেছেন, ‘আক্রান্ত খেলোয়াড়দের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ যতœ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সবধরনের সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। যাতে করে ভাইরাস দলের বাকি সদস্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।’
‘ক্যামেল ভাইরাস’ ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার মূল লক্ষণ চারটি প্রথমে জ্বর আসবে, এরপর কাশি শুরু হবে; থাকবে ডায়রিয়া আর বমি বমি ভাব। সব মিলিয়ে এই ফ্লু নিয়ে ফুটবল খেলা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কাতারে সবসময় শীতাতপযন্ত্রের বাতাসে থাকা এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রার তারতম্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারার কারণে এই ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
