৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতলেও ফিফা র্যাংকিংয়ে শীর্ষে ওঠা হয়নি আর্জেন্টিনার। তবে একধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠেছে লিওনেল স্কালোনির দল। কাতার আসরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ব্রাজিল। ফিফা গতকাল নতুন র্যাংকিং প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে বিশ্বকাপ উম্মাদনা থাকলেও র্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়নি লাল-সবুজদের। আগের মতোই আছে ১৯২ নম্বরে।
বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ জেতে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে তারা হারে ক্যামেরুনের কাছে। শেষ ষোলোতে জয়ের পর কোয়ার্টারে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয় গত ফেব্রুয়ারিতে বেলজিয়ামকে পেছনে ফেলে র্যাংকিংয়ে শীর্ষে ওঠা ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারে সৌদি আরবের কাছে। কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা নেদারল্যান্ডসকে হারায় টাইব্রেকারে। ফাইনালেও জয়ী হয় একইভাবে।
নির্ধারিত কিংবা অতিরিক্ত সময়ে জয়ের চেয়ে টাইব্রেকারে জিতলে অনেক কম রেটিং পয়েন্ট পাওয়া যায়। আর্জেন্টিনা কিংবা ফ্রান্সের কেউ যদি ফাইনালে ১২০ মিনিটের মধ্যে জিততে পারত, তারা র্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে যেত। তবে ফাইনাল টাইব্রেকে গড়ানোয় ব্রাজিলের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়।
আর্জেন্টিনার মতো ফ্রান্সও এগিয়েছে একধাপ, বিশ্বকাপের রানার্সআপ দলটি আছে তিন নম্বরে। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া বেলজিয়াম দুই ধাপ পিছিয়ে চারে নেমেছে। পাঁচ নম্বরে অবস্থান ধরে রেখেছে শেষ আট থেকে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড। নেদারল্যান্ডস দুই ধাপ এগিয়ে ছয় নম্বরে আছে। সেমিফাইনালে খেলা ক্রোয়েশিয়া শীর্ষ দশে উঠেছে। পাঁচ ধাপ এগিয়ে সাত নম্বরে ক্রোয়াটরা।
বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়া ইতালি দুই ধাপ পিছিয়ে আট নম্বরে আছে। আগের মতো নয় নম্বরে শেষ আটে হারা পর্তুগাল। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া স্পেন পিছিয়েছে তিন ধাপ, আছে দশে। দশ ধাপ পিছিয়ে ডেনমার্ক ১৮ নম্বরে নেমে গেছে। নিজেদের র্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট যোগ করেছে প্রথম আফিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিতে খেলা মরক্কো। তারা উঠে এসেছে এগারো নম্বরে। তারা এগিয়েছে ১৭ ধাপ। মরক্কোর ইতিহাসের সেরা অবস্থান যদিও এটি নয়। ১৯৯৮ সালে ১০ নম্বরে ছিল তারা। তবে ২০১৫ সালে ছিল ৯২ নম্বরে।
শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার কাছে হারা অস্ট্রেলিয়া ১১ ধাপ এগিয়ে আছে ২৭ নম্বরে। ব্রাজিলকে হারানো ক্যামেরুন ১৭ ধাপ এগিয়ে ৩৩তম স্থানে উঠেছে।
