তারেক-জোবাইদার সম্পত্তির খোঁজ পায়নি পুলিশ

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:০৮ এএম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের জমা দেওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পলাতক এ দুই আসামির সম্পত্তির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এ মামলায় তারেক ও জোবাইদাকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে উপস্থিত হওয়ার আদেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি (গেজেট) প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আছাদুজ্জামান এ আদেশ দেন। এদিন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় তারেক-জোবাইদার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন জমার তারিখ ছিল।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পুলিশ প্রতিবেদন দিয়ে বলেছে তাদের দুজনের (তারেক-জোবাইদা) কোনো সম্পত্তির হদিস তারা পাননি। দুজনকে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যথায় তাদের অনুপস্থিতিতে মামলার বিচার চলবে।’

গত ৫ জানুয়ারি তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেয় একই আদালত। ক্রোকি পরোয়ানা তামিলের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিল আদালত। এর আগে গত বছরের ১ নভেম্বর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল একই আদালত।

গত বছরের ২৬ জুন হাইকোর্ট তারেক ও জোবাইদাকে পলাতক ঘোষণা করে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকার দুর্নীতি মামলা দায়ের ও তার প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে করা পৃথক রিট আবেদন খারিজ করে দেয়। রিট খারিজ করে দেওয়া রায়ে হাইকোর্ট একই সঙ্গে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে করা এ মামলার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতকে যত দ্রুত সম্ভব বিচার কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দেয়। ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার তথ্য গোপন এবং বৈধ আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করে দুদক। এজাহারে তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে এ মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত