ইরানে বাংলাদেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজের সাফল্য

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:২২ পিএম

ইরানের ৩৯তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজ শেখ মাহমুদুল হাসান। গত বুধবার তেহরানের সামিট হলে অনুষ্ঠিত সমাপনী পর্বে বিজয়ী প্রতিযোগীদের সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম রাইসিসহ সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

ইরানের ইন্টারন্যাশনাল কোরআন নিউজ এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, ইরানের আওকাফ ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮০টি দেশের দেড়শ প্রতিযোগী অংশ নেয়।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বাছাইকৃত প্রতিযোগীদের নিয়ে তেহরানে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের ৩৩টি দেশের ৫২ ছেলে ও মেয়ে প্রতিযোগী অংশ নেয়।

কোরআনের তারতিল ক্যাটাগরিতে মেয়েদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে ইরানের ফাহিমেহ আসগারজাদেহ, লেবাননের লায়লা আফারা ও আফগানিস্তানের আমিনেহ শিরজাদ। হেফজ ক্যাটারিতে মেয়েদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে ঘানার আমিনা ইবরাহিম, ইরানের হাজার মেহরালিয়ান ও আলজেরিয়ার নাসরিন খালেদি।

কোরআনের তারতিল ক্যাটাগরিতে ছেলেদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে ইরানের মোহাম্মদ জাভেদ জাবেরি, কিরগিজস্তানের মোহাম্মদ ইয়ার ও লেবাননের ইসমাইলন হামদান। হেফজ ক্যাটারিতে ছেলেদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে ইরানের সিনা তাব্বাকি, কেনিয়ার আবদুল আলিম আবদুল রহিম ও বাংলাদেশের শেখ মাহমুদুল হাসান।

মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে ইরান প্রতিবছর পবিত্র কোরআনবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এবার প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ছিল ‘ওয়ান বুক ওয়ান উম্মাহ’ তথা ‘এক গ্রন্থ এক জাতি’। গত বছর এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিল বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম (১৩)।

১৯ বছর বয়সী মাহমুদুল হাসানের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বালুচর গ্রামে। তার বাবার নাম হাফেজ ইমামুল হোসাইন। সে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শান্তিধারা এলাকার মারকাযুল মাদিনা আল লতিফী আল ইসলামী মাদ্রাসার পড়াশোনা করে।

  দৈনন্দিন ইসলাম ডেস্ক

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত