জ্ঞাননির্ভর সমাজ গড়ে তুলতে হলে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। গতকাল রবিবার ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব) রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। একইসঙ্গে তারা গবেষণাধর্মী লেখার ওপর জোর দেন।
উল্লেখ্য, ২৫ বছর আগে ১২ জন সাংবাদিক মিলে ডিক্যাব প্রতিষ্ঠা করেন। রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তিনজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শ্যামল দত্ত, আনিস আলমগীর এবং মোস্তফা কামালকে সম্মাননা জানায় ডিক্যাব। একই সঙ্গে সব প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ শাহরিয়ার জামান এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি মীর মোস্তাফিজুর রহমান ‘রোল অব মিডিয়া অন বাংলাদেশ ফরেন পলিসি’ বিষয়ে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে ডিক্যাব সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।
ডিক্যাবের ২৫ বছরপূর্তি উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষ করে তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা ২৫ বছর আগে ডিক্যাব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম জানান, বিশ্লেষণধর্মী এবং গবেষণামূলক লেখার অভাব আছে বাংলাদেশে। আপনারা রিপোর্ট লেখায় ব্যস্ত থাকেন এবং আমরা আমাদের কাজে ব্যস্ত থাকি। কিন্তু এই লম্বা যাত্রাপথের কোনায় কোনায় যে গল্পগুলো আছে, সেগুলো যেমন অমøমধুর সম্পর্ক বা মিষ্টি সম্পর্কÑ যেভাবেই বলি না কেন, এগুলো মাঝে মাঝে বলা দরকার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
সেমিনারে সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলুফার ইয়াসমিন বক্তব্য দেন।
