রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকার তিনতলা একটি ভবনে বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পর ১৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে হার মানলেন নূরনবী (২৪)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ নিয়ে সায়েন্স ল্যাব এলাকার ওই বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬।
ঢামেক হাসপাতালের আইসিইউ এর প্রধান অধ্যাপক ডা. মোজাফফর হোসেন জানান, ঘটনার দিন থেকেই নূরনবীকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। তার অবস্থা তখন থেকেই সংকটাপন্ন ছিল।
নিহত নূরনবীর বড় ভাই আলী হোসেন জানান, তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার দড়িগাঁও গ্রামে। বাবার নাম জসিম উদ্দিন। ঢাবির সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে থাকতেন নূরনবী। ইসলাম শিক্ষা বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন।
নিহতের সহপাঠী মাজহারুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন সকালে ঢাবি ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে টিউশনি করতে গিয়েছিলেন নূরনবী। সায়েন্স ল্যাবের ওই ভবনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণে ওপর থেকে তার মাথায় ও পায়ের ওপর ইট পড়ে।
এর আগে গত ৫ মার্চ বেলা পৌনে ১১টার দিকে সায়েন্স ল্যাব এলাকার শিরিন ম্যানশনে বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় ওই দিনই তিনজন মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান আয়শা আক্তার আশা (২৬) ও জহুর আলী (৫২) নামে দুজন।
