৩৮ আসনে সীমানা পুনর্নির্ধারণের শুনানি শুরু ৩ মে

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:২০ এএম

জাতীয় সংসদের সীমানা পুনর্নির্ধারণে আপত্তিগুলোর শুনানি আগামী ৩ মে থেকে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চার দিনের শুনানি কার্যক্রম শেষ হবে ১৪ মে। গতকাল মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে কমিশনের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘সংসদীয় আসনগুলোর খসড়া গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করেছিলাম। সে সময় গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা ছিল, ১৯ মার্চের মধ্যে আপত্তি থাকলে উত্থাপন করতে হবে। আমরা ১৮৬টি আপত্তি পেয়েছি। যার ভেতরে পক্ষে ও বিপক্ষে রয়েছে। এ আপত্তিগুলো শুনানির তারিখ নির্ধারণের সভা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চার দিনে এ আপত্তিগুলোকে নিষ্পত্তির জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

ইসি সচিব বলেন, কুমিল্লা অঞ্চলের আবেদনগুলোর শুনানি হবে ৩ মে। ৭ মে রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের আপত্তিগুলোর শুনানি হবে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা অঞ্চলের সীমানা নিয়ে যে আবেদনগুলো পড়েছে সেগুলোর শুনানি হবে ১১ মে। আর বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের আবেদনগুলোর শুনানি ১৪ মে।

জানা গেছে, আপত্তিগুলো এসেছে ৩৮টি আসন থেকে। এতে ১৮৬টি আবেদনের মধ্যে ১৬০টি বিপক্ষে ও ২৬টি পক্ষে পড়েছে। এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে কুমিল্লা অঞ্চলে ৮৪টি। সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে, একটি করে। রংপুর ও সিলেট অঞ্চলে কোনো আবেদন পড়েনি।

অন্যদিকে রাজশাহীতে ৪৩টি, বরিশালে ২৯, ঢাকায় ১৮, খুলনা ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে পাঁচটি করে আবেদন পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ইসির বেজমেন্টের সভাকক্ষে শুনানি হবে। এতে যারা আপত্তি জানিয়েছেন তারা তাদের যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন। এরপর কমিশন আবার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে।

নতুন দল নিবন্ধনের বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর বলেন, প্রাথমিক বাছাইয়ে যে দলগুলো উত্তীর্ণ হয়েছে সেগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে কটি দল তা বলতে পারছি না।

প্রথম দিকে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার কথা বলেছিল ইসি। এতে শুধু প্রশাসনিক অখণ্ডতা বজায় রাখতে গেলেই ইসিকে ৪৫ আসনে হাত দিতে হতো। পরে সমালোচনা ও মামলার আশঙ্কায় সেই অবস্থান থেকে সরে আসে ইসি। পরে নূরুল হুদা কমিশনের রেখে যাওয়া সংসদীয় আসনের সীমানা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খসড়া সীমানা হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ১৯ মার্চ পর্যন্ত সংক্ষুব্ধরা এ বিষয়ে আবেদন করতে পারবেন। সীমানা-সংক্রান্ত প্রাপ্ত আবেদনের শুনানি শেষে জুনের মধ্যে সীমানা চূড়ান্ত করতে চায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত