ভাজাভুজিতে কড়কড়ে ভাব আনতে অথবা নরম তুলতুলে কেক-মাফিন তৈরিতে বেকিং সোডার বহুল ব্যবহার। বেকিং সোডার একটা কৌটো বাড়ি আনলেই দীর্ঘদিন চলে যায় সেটি। অনেক সময় এমনও হয় যে, বেকিং সোডার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে অর্ধেকের বেশি ফেলেই দিতে হল। ঘরের কাজ ও স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রয়োজনীয় উপাদান হতে পারে এই বেকিং সোডা।
রুপার জিনিস চকচকে করা থেকে কার্পেট পরিষ্কার গৃহস্থলির হরেক রকম কাজে বেকিং সোডা ব্যবহার করা হয়। এছাড়া হজমের সমস্যা দূর করতে, গলাব্যথা হলে সেই যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পেতেও অনেকে বেকিং সোডার উপর ভরসা রাখেন। তবে ত্বক পরিচর্চা ও রূপচর্চাতেও বেকিং সোডা দারুণ কাজে আসে সেই খবর রাখেন কি?
>> শরীরে ঘন ঘন র্যাশ বেরোয়? গোসলের পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে নিলেই এই সমস্যা হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন। সার্নবার্নের সমস্যা শুরু হলেও বেকিং সোডা দিয়ে স্নান করলে রেহাই পাবেন।
>> বেকিং সোডা মেশানো পানি মুখে লাগিয়ে ঘষে নিন। সপ্তাহে দু’দিন এটা করলেই ত্বকের মৃতকোষ পরিষ্কার হবে। সারা দিন শ্রমের পর ঈষদুষ্ণ পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পা ডুবিয়ে থাকুন। বাড়ি ফিরে মিনিট পাঁচেক এমনটা করতে পারলেই পায়ের স্ক্রাবিংয়ের কাজ হয়ে যাবে।
>> ধূমপান করে দাঁতে বারোটা বেজেছে? পেস্টের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে দাঁত মাজতে পারেন। দাঁত চকচকে হবে।
>> গরম পড়ছে। অনেকেই এই সময় অতিরিক্ত ঘামেন, ফলে গায়ে দুর্গন্ধ হয়। এই সময়ে গোসলের পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে স্নান করলে গায়ের দুর্গন্ধের সমস্যা দূর হবে। পায়ের দুর্গন্ধ এড়াতেও গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। সমস্যা দূর হবে।
>> অনেক সময়ে নখের জেল্লা হারিয়ে যায়, খসখসে দেখায়। পানিতে সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই মিশ্রণটি তুলোয় ভিজিয়ে নখে লাগালে নখের জেল্লা ফিরে আসে।
