রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় আহত হওয়ার পর এক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম এম এ আ. মতিন সরকার (৫০)। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার পর বাসায় ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বজনরা অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ফরিদপুরে মুরগিবাহী পিকআপ ভ্যান, যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোমরপুরে মুসলিম মিশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় আহত হওয়ার পর মারা যাওয়া এম এ আ. মতিন সরকারের বাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায়। থাকতেন যাত্রাবাড়ীর সায়দাবাদ এলাকায়। সেখানে হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকান রয়েছে তার। সেখানে বসেই রোগীদের চিকিৎসা দিতেন।
শ্যালক মো. আরাফাত হোসেন রায়হান জানান, সকালে ছেলেকে নিয়ে যাত্রাবাড়ী বাজারে যান আ. মতিন। সেখান থেকে ফেরার সময় কোনো একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় পায়ে আঘাত পেলেও কোনো রক্তক্ষরণ হয়নি। আহত অবস্থায় এক ট্রাফিক সার্জেন্ট তাকে বাসায় পৌঁছে দেন। এরপর নিজের কাছে থাকা হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবন করে বিছানায় শুয়ে ছিলেন আ. মতিন। পরে সন্ধ্যার দিকে তার কোনো নড়াচড়া না দেখে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, আ. মতিনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। তার মৃত্যুর খবর যাত্রাবাড়ী থানায় জানানো হয়েছে।
ফরিদপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুই বন্ধু নিহত: ফরিদপুরের দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- ফরিদপুর পৌরসভার বর্ধিত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান মিয়ার ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (২৮) এবং একই এলাকার ইলিয়াস মোল্যার ছেলে রায়হান মোল্যা (২৯)। তারা পরস্পর আত্মীয় ও বন্ধু। করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনায় দুজন মারা গেছেন। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।’
প্রতিবেদনটি ঢামেক ও ফরিদপুর প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে তৈরি
