যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া হিমার্স এবং যুক্তরাজ্যের দেওয়া স্টর্ম শেডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে হামলা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। ২০১৪ সালে বিনা রক্তপাতে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। এরপর সেখানে নিজেদের শক্তিশালী দুর্গ গড়ে তোলে মস্কো। তবে গত বছর রুশ বাহিনীর পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর ইউক্রেন এখন ক্রিমিয়া উপদ্বীপটিও পুনর্দখলের হুমকি দিচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু গত মঙ্গলবার হুঁশিয়ার করে বলেন। ‘ইউক্রেনীয় সেনারা এখন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অস্ত্র ব্যবহার করে হামলার পরিকল্পনা করছে। যদি সত্যিই হামলা করা হয় তাহলে কিয়েভের ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রে’ সরাসরি হামলা চালাবেন তারা। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিশেষ সামরিক অভিযানের অঞ্চলের বাইরে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অর্থ হবে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য পুরোপুরিভাবে যুদ্ধে জড়িত হওয়া। এ ধরনের হামলা হলে কিয়েভে অবস্থিত ইউক্রেনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রে তাৎক্ষণিক হামলা চালানো হবে।’ সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র বলতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের প্রশাসনিক ভবন ও গোয়েন্দা সংস্থার অবকাঠামোর কথা বুঝিয়েছে রাশিয়া।
×
